নতুন বছরে Commercial সিনেমার প্রত্যাবর্তন.✨
শীঘ্রই পর্দায় আসতে চলেছে এই বছরের দুর্ধর্ষ বাণিজ্যিক ছবি।
ছবিটি হলে মুক্তি পাচ্ছে 6th February 2026. |✨
জাতীয় স্তরে বিভিন্ন পুরস্কার প্রাপ্ত, দর্শক সমাদৃত, রাফায়ত রশীদ মিথিলা অভিনীত … “ও অভাগী” চলচিত্রের সফল যাত্রাপথের পর, ও সমাদৃত পরিচালক শেখর দাস এর ছবি পাগলা ঘোড়া প্রযোজনা করার পরে- স্বভূমী এন্টারটেন্মেন্ট ও ডঃ প্রবীর ভৌমিকের আগামী নিবেদন, অনির্বাণ চক্রবর্তী পরিচালিত – “খাঁচা”।
উল্লেখ্য বিষয়..
‘খাঁচা’… শুধু সিনেমা নয়,
প্রকৃত অর্থে জনস্বার্থে প্রচারিত এক বার্তা।
বাস্তবে HUMAN TRAFICKING – এর SURVIVOR রা কিভাবে ‘খাঁচা’-র সাথে যৌথ উদ্যোগে কিছু দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম তৈরী করছে তা ক্রমশঃ প্রকাশ্য।
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: অনির্বাণ চক্রবর্তী
চিত্রগ্রাহক (DOP): মলয় মণ্ডল
সঙ্গীত পরিচালক: মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় এবং অমিত
ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর:
প্রদ্যোত চ্যাটার্জি
সাউন্ড ডিজাইন ও মিক্সিন্গ:
তীর্থঙ্কর মজুমদার
এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার : কৃষ্ণ ব্যানার্জি

অভিনয়ে🎭✨
বড় পর্দায় প্রথম বার ‘সিনেবাপ’ মৃন্ময়: কমলেশ
রজতাভ দত্ত: মামা
মীর: মাহাতো (মন্ত্রী)
প্রত্যুষা পাল: রাধিকা
অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জি: সম্পদ
কাঞ্চনা মৈত্র: মামী
সোনালী চৌধুরী: কমলেশের মা
কৃষ্ণ ব্যানার্জি: ট্যাবলেট
ইমন চক্রবর্তী: মইদুল
অরুণাভ দত্ত: ও.সি
নবাগতা পূজা চ্যাটার্জী: রেশমী
নবাগতা শ্রুতি মিত্র: কমলেশের দিদির ছোটোবেলা
পূজা সরকার
শ্রীতমা বৈদ্য
অলোক সান্যাল
এবং অন্যান্যরা
গণমাধ্যম প্রচার: রানা বসু ঠাকুর
| মূল গল্প: |
নুন আনতে পান্তা ফুরানো, হতদরিদ্র গ্রাম টিয়াবন দেখতে আপাত দৃষ্টিতে শান্ত। পুলিশের খাতাতেও কোন ব্যাপারেই খুব একটা কোন অভিযোগ জমা পড়ে না। তবে আসলে সেখানে বা তার আশেপাশের বেশ কিছু গ্রামে গভীরভাবে কান পাতলে বোঝা যায়, শান্ত জায়গা মোটেও শান্তিতে নেই। এক বিরাট ষড়যন্ত্র চলছে গোটা এলাকা জুড়ে। গত তিরিশ বছর ধরে লেবার ট্রান্সপোর্টের ব্যবসার নামে এক বিরাট নারী পাচার চক্র চালায় বিশ্বম্ভর বিশ্বাস ওরফে মামা এবং তার প্রথম স্ত্রী মীনাক্ষী দেবী ওরফে মামী। কত ছোট ছোট নিষ্পাপ মেয়ের জীবন যে ওরা নষ্ট করে চলেছে তার ইয়ত্তা নেই।
কমলেশ ওই গ্রামেরই ছেলে। ছোটবেলায় তার দিদিকে মামী এবং তার দলবল তুলে নিয়ে গিয়েছিল তার সামনেই। কিন্তু সে তখন কিছুই করতে পারেনি। তার মা পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ কোন অভিযোগ জমাই নেয় না। উল্টে কে বা কারা তার মা’কেই পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। দিদিকে সে আজও খুঁজে পায়নি। তার লড়াই চলছে মামার বিরুদ্ধে, মামীর বিরুদ্ধে, সে সব অসাধু মানুষগুলোর বিরুদ্ধে, যারা এই সমাজকে কলুষিত করেছে, যারা গরিব মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে তাদের মেয়ে বউদের পাচার করে দিচ্ছে।
গতিময় কাহিনীর পরতে পরতে রয়েছে রোমহর্ষক দ্বন্দ্ব, আর অধর্মের অধঃপতনের দুর্ধর্ষ সংঘাতের অ্যাক্শন। টানটান চিত্রনাট্যে আলো আঁধারের হিসেব নিকেষ। অবশেষে কিভাবে সত্যের জীত হয়, সেই নিয়েই আবর্তিত খাঁচার কাহিনী ।
