কলকাতা, ১৪ আগস্ট ২০২৬: ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সংগীতশিল্পী বিক্রম ঘোষ, ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস্ট সুহেল শেঠ, শিল্পপতি শিশির বাজোরিয়া এবং বিধায়ক বিজয় ওঝা চেয়ারম্যান সন্দীপ ভুতোরিয়ার সঙ্গে মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি দুর্গাপুজোর ৮৪তম বর্ষের খুঁটি পুজোয় অংশ নিলেন। মণ্ডপের প্রথম বাঁশ পোঁতার এই চিরাচরিত আচারের মধ্য দিয়েই উত্তর কলকাতায় দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়ে গেল।

খুঁটি পুজোর আয়োজক ছিলেন ঐতিহ্যবাহী মানিকতলা চালতাবাগান লোহাপট্টি দুর্গাপুজো কমিটির চেয়ারম্যান সন্দীপ ভুতোরিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কমিটির পদাধিকারীরা — সভাপতি অশোক জয়সওয়াল, ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ বিহানি এবং সম্পাদক রাজেশ জয়সওয়াল। উপস্থিত ছিলেন চালতাবাগান দুর্গাপুজোর উদ্বোধন কমিটি ২০২৬-এর সভাপতি শিশির বাজোরিয়াও।

সন্দীপ ভুতোরিয়া বলেন, “দুর্গাপুজো বাংলার সমষ্টিগত কল্পনাশক্তির সবচেয়ে বড় প্রকাশ। খুঁটি পুজো থেকেই আমাদের বছর সত্যিকারের অর্থে শুরু হয়। ৮৪ বছর ধরে এই পুজো যতটা কমিটির, ততটাই এই পাড়ার — আর সেই যৌথ অধিকারবোধ সঙ্গে নিয়েই আমরা প্রস্তুতির আগামী মাসগুলিতে এগিয়ে চলি।”

অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, “খুঁটি পুজো সেই উৎসবের সূচনা, যা প্রত্যেক বাঙালির হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের। আমরা সকলে একসঙ্গে, ভালোবাসা আর সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে পুজো উদ্যাপন করব।”
শিশির বাজোরিয়া জানান, এ বছরের দুর্গাপুজো হবে আলাদা, কারণ এতে “সনাতনী আচার ও ঐতিহ্য”-এর সঙ্গে উৎসবের মেলবন্ধন দেখা যাবে। তিনি বলেন, “দুর্গাপুজো শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে নয়, সনাতনী আচার ও ঐতিহ্যের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে উদ্যাপিত হবে। আমি আশা করি, আচার ও উৎসব দুই-ই অপূর্বভাবে পাশাপাশি চলবে, যাতে উৎসবের আধ্যাত্মিক নির্যাস এবং আনন্দ — দুই-ই অক্ষুণ্ণ থাকে।”

বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা বলেন, “এই বছর একটি নতুন সূচনার প্রতীক এবং গত ৫০ বছরে রাজ্যে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার থেকে সরে আসারও।”

