কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (প্রেস বিজ্ঞপ্তি): বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর ঠিক প্রাক্কালে ভারতের শীর্ষস্থানীয় বস্ত্র ও পোশাক নির্মাণকারী সংস্থা ‘রেইমন্ড লাইফস্টাইল লিমিটেড’ (Raymond Lifestyle Limited) তাদের এক অভিনব এবং ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ঘোষণা করেছে। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের দুই ভিন্ন প্রজন্মের সফল এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় দুই মহাতারকা—প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং আবীর চট্টোপাধ্যায়কে প্রথমবারের মতো এক সুতোয় গেঁথে একটি বিশেষ শারদীয় প্রচার অভিযানের সূচনা করল রেইমন্ড। ঐতিহ্য, সিনেমার আভিজাত্য এবং আধুনিক পুরুষিক রুচিবোধকে এক ছাদের তলায় এনে রাজ্যের পুজো উদযাপনের মেজাজকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বাঙালির দুর্গোৎসবে নতুন পোশাক কেনার আবেগ কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই শুরু হয়ে যায়। কোন দিন কী পোশাক পরা হবে, তার একটি বিশেষ নান্দনিক ও আবেগঘন গুরুত্ব রয়েছে। এই বিশেষ মুহূর্তে প্রসেনজিৎ ও আবীরের মতো দুজন আইকনকে একসঙ্গে পর্দায় নিয়ে আসা রেইমন্ডের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের সাথে টলিউডের রাজকীয় মেলবন্ধনকে চিহ্নিত করে। এই দুই তারকা তাঁদের স্ব-স্ব যুগের চলচ্চিত্র সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত রুচির প্রতীক। রেইমন্ডের বিখ্যাত ব্র্যান্ড স্লোগান “দ্য কমপ্লিট ম্যান” (The Complete Man)-কে বাংলার নিজস্ব কালচারাল ক্যানভাস বা সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপস্থাপন করেছেন তাঁরা।

উৎসবের মেজাজ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব এবং উৎসবের আবেগ প্রসঙ্গে রেইমন্ড লাইফস্টাইল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) শ্রী সত্যকি ঘোষ বলেন:
“পশ্চিমবঙ্গ শিল্পকলা, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং সূক্ষ্ম মার্জিত শৈলীর এক অনন্য স্থান। আমাদের কাছে দুর্গাপুজো শুধুই একটি উৎসব নয়, এটি পারস্পরিক ভালোবাসা, উষ্ণতা এবং ষষ্ঠী থেকে দশমী—প্রতিটি বিশেষ মুহূর্তে নিজেকে সুন্দর পোশাকে সাজিয়ে তোলার এক গভীর আবেগ। বাংলা সিনেমার দুই প্রবাদপ্রতীম ব্যক্তিত্ব প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং আবীর চট্টোপাধ্যায়কে রেইমন্ডের এই প্রথম ধরনের সহযোগিতায় একসঙ্গে আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রতিটি পরিবারের সম্পূর্ণ ফ্যাশন গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পেরে রেইমন্ড গর্বিত। এই পুজোয় বিলাসবহুল কাপড়ের সাথে আধুনিক রেডি-টু-ওয়্যার ফ্যাশনের এমন এক অপূর্ব মিশ্রণ আমরা নিয়ে এসেছি যা প্রতিটি মানুষের নিজস্ব রুচি ও স্টাইলকে ফুটিয়ে তুলবে।”
![]()
ষষ্ঠী থেকে দশমী: রেইমন্ডের সম্পূর্ণ পুজো লুকবুক
উন্নতমানের স্যুট ফ্যাব্রিক, প্রিমিয়াম লিনেন এবং সূক্ষ্ম সুতির কাপড়ের ওপর ভিত্তি করে রেইমন্ড ফাইন ফ্যাব্রিকস গ্রাহকদের ইচ্ছেমতো দর্জি দিয়ে তৈরি বেসপোক (Custom Tailoring) পোশাক বানানোর সুবিধা দেয়। অষ্টমীর জমকালো সন্ধ্যার জন্য ক্লাসিক বন্ধগলা কিংবা সকালের অঞ্জলি ও আড্ডার জন্য সুতির হালকা বা লিনেন কুর্তা—রেইমন্ডের কাস্টম টেলারিং গ্রাহকদের নিজস্ব মাপ ও ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী পোশাক বানানোর সুযোগ করে দেয়।

উৎসবের ফ্যাশনে যেমন পরিবর্তন এসেছে, তেমনই ‘দ্য রেইমন্ড শপ’ (TRS) আজ পুজো কেনাকাটার এক প্রধান ‘ওয়ান-স্টপ গন্তব্য’ হয়ে উঠেছে। রেডি-টু-ওয়্যার বা সরাসরি দোকান থেকে কেনা পোশাক হোক কিংবা নিজের পছন্দের কাপড় কেটে কাস্টম টেলারিং—উৎসবের প্রতিদিনের জন্য রেইমন্ড নিয়ে এসেছে বিস্তৃত ফ্যাশন কালেকশন:
-
ইথনিক্স বাই রেইমন্ড (Ethnix by Raymond): ঐতিহ্যবাহী কাট ও নকশার সুসজ্জিত কুর্তা এবং বুন্দি জ্যাকেটের কালেকশন।
-
রেইমন্ড রেডি-টু-ওয়্যার (Raymond Ready-to-Wear): আধুনিক ট্রেন্ডি ক্যাজুয়াল ও ক্লাসিক শার্প স্যুট।
-
পার্ক অ্যাভিনিউ (Park Avenue): আভিজাত্যপূর্ণ ফর্মাল পোশাক।
-
কালারপ্লাস (ColorPlus): উইকএন্ড বা ছুটির মেজাজের প্রিমিয়াম টেক্সচার্ড পোশাক।
-
পার্ক্স (Parx): তরুণ প্রজন্মের জন্য হাই-এনার্জি ফিউশন ও ক্যাজুয়াল ওয়্যার।

শারদ উপহারের বিশেষ সম্ভার ও সহজলভ্যতা
বাঙালির দুর্গোৎসবে প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়দের উপহার দেওয়া এক অতি প্রাচীন এবং আদরের রীতি। পুজোয় উপহার দেওয়ার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও নান্দনিক করতে রেইমন্ড বিশেষ কিউরেটেড ফেস্টিভ প্যাকিং এবং বিভিন্ন বাজেট-বান্ধব মূল্যের রেঞ্জ চালু করেছে।
রেইমন্ডের এই সমস্ত নতুন কালেকশন (রেইমন্ড ফাইন ফ্যাব্রিকস, রেডি-টু-ওয়্যার, ইথনিক্স, পার্ক অ্যাভিনিউ, কালারপ্লাস এবং পার্ক্স) বর্তমানে কলকাতা ও সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ‘দ্য রেইমন্ড শপ’ আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও পূর্ব ভারতের প্রধান প্রধান মাল্টি-ব্র্যান্ড আউটলেটগুলোতেও এই উৎসবের কালেকশন সাজানো হয়েছে।

