RAJ_8077
Spread the love

কলকাতা (৩ জুলাই ‘২৬):- “সমাজের বুকে প্রাকৃতিক রোষের অঙ্গ রূপে ঘূর্ণিঝড় বা বজ্রপাতের প্রভাব আমরা টিভির সংবাদে দেখতে পেলেও যে সকল মানুষ খোলা আকাশের নীচে সুরক্ষা কবচ ছাড়া কাজ করেন তাঁদের শরীরে তাপ প্রবাহের ফলাফল কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে বোঝা যায় না, অথচ এই ঘটনা অনেক সময় তাঁদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে, সুতরাং প্রকৃতির দিকে আমাদের আরো বেশি নজর রাখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের বাঁচাতে সচেষ্ট হতে হবে,” বলে নিজের মতামত স্পষ্ট ভাবে জানালেন কলকাতার অন্যতম খ্যাতনামা নেফ্রোলজিস্ট তথা ‘নেফ্রোকেয়ার’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ব্যবস্থাপক নির্দেশক ডাঃ প্রতীম সেনগুপ্ত।

‘আসার সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট’ ও ‘এনভায়রনমেন্ট এডুকেশন মিডিয়া প্রজেক্ট’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘দ্য ফিউচার অব বেঙ্গল : ইমপ্যাক্ট অব হিট অ্যাণ্ড এক্সট্রিম ওয়েদার’ নামাঙ্কিত এক অনুষ্ঠানের অন্যতম বক্তা রূপে নিজের বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে ডাঃ সেনগুপ্ত এই কথা জানান।

বলে রাখা ভালো, বিজ্ঞান আজ অনেকটা এগিয়ে যাওয়ার ফলে আজ ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সংবাদ কয়েকদিন আগে জানা সম্ভব হলেও বজ্রপাতের সূচনা মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে পাওয়াই সম্ভব হচ্ছে, ফলতঃ সরকার ঘূর্ণিঝড়ের আগাম খবর পেয়ে জনগণকে বাঁচাতে সম্ভব হলেও বজ্রপাত থেকে জনগণকে সবসময় বাঁচাতে পারে না।

ডাঃ সেনগুপ্ত-র আগে ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের তরফে বৈজ্ঞানিক ডঃ এইচ আর বিশ্বাস নিজের বক্তব্যে বলেছেন, “মানুষের শরীরে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরা হয় ৩৭ ডিগ্রি, আর এই তাপমানের সাপেক্ষেই আবহাওয়া বিভাগ বিভিন্ন স্থানের সাপেক্ষে দৈনন্দিন আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্ক বার্তা দিয়ে থাকে।”
নিজের বক্তব্যকে প্রাঞ্জল করতে গিয়ে ডঃ বিশ্বাস বলেছেন, “মানুষের শরীরে যেমন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা আছে ঠিক সেরকমই পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য আমরা ৩০ ডিগ্রিকে, উপকূল অঞ্চলের জন্য ৩৭ ডিগ্রিকে এবং সমতল অঞ্চলের জন্য আমরা ৪০ ডিগ্রিকে আমরা চরম তাপমাত্রা ধরে থাকি। আর এই মানদণ্ডকে সামনে রেখেই আমরা হলুদ, কমলা বা লাল সতর্কতা জারি করে থাকি।”

অনুষ্ঠানের শেষভাগে বোস ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক অভিজিৎ চ্যাটার্জি, প্রেস ক্লাব কলকাতা-র অধ্যক্ষ স্নেহাশিস সুর সহ তিন সাংবাদিক স্বাতী ভট্টাচার্য, জয়ন্ত বোস ও ঋত্বিক মুখার্জি বিষয় শীর্ষক এক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *