WhatsApp Image 2026-10-26 at 5.13.53 PM
Spread the love

• ফ্ল্যাগশিপ ইমেজিং-এর নতুন মান নির্ধারণ করল মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম বার ট্রিপল 200এমপি ক্যামেরা সিস্টেম নিয়ে এসে, এটাকে তৈরি করা হয়েছে হ্যাসেলব্ল্যাড-এর সহযোগিতায়, এতে আছে একেবারে নতুন কালারওএস 17 এবং আছে 8000এমএএইচ ব্যাটারি যা এই সেগমেন্টের সবচেয়ে বড় ব্যাটারি
• ভারতের প্রথমবার 2এনএম মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 9600 প্রো আসছে ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স-এ, যা ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্সের নতুন মান নির্ধারণ করল
• ওপো তাদের প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমকে আরও উন্নত করল ওপো এনকো এক্স4লঞ্চ করে, এতে আছে ডাইনাঅডিও ও ক্যাটাগরিকে নির্ধারণ করা প্যাড মিনি-র পাওয়ার, ভারতের ইউজাররা এটা ব্যবহার করে অবিরাম ক্যাপচার, ক্রিয়েট ও শেয়ারের অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন
• ভারতে ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ পাওয়া যাবে, দাম শুরু হচ্ছে 1,39,999 টাকা থেকে

Kolkata : ওপো ইন্ডিয়া লঞ্চ করল একেবারে নতুন ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ। এই সিরিজে আছে ওপো ফাইন্ড এক্স10 এবং ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স। এগুলো হল এই ব্র্যান্ডের ইনোভেটিভ ও প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ ওপো ফাইন্ড এক্স সিরিজের টেন্থ জেনারেশন। ফাইন্ড এক্স10 সিরিজের ফোনগুলোকে তৈরি করা হয়েছে প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে নতুন বেঞ্চমার্ক তৈরি করার জন্য। এই সিরিজের ফোনগুলোতে আছে একেবারে নতুন ধরনের ট্রু-টু-লাইফ ইমেজিং, আপসহীন পারফরম্যান্স, ব্যতিক্রমী ধরনের ব্যাটারি এন্ডিওরেন্স ও রিফাইন্ড ডিজাইন। এসব ছাড়াও আছে নতুন কালারওএস 17। যা দেয় উত্কৃষ্ট ও মসৃণ ভাবে সফ্টওয়্যার ব্যবহারের অভিজ্ঞতা। ওপো তাদের ফ্ল্যাগশিপ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমকে আরও বড় করে তুলল ওপো এনকো এক্স4 ও ওপো প্যাড মিনি দিয়ে। যাতে ইউজাররা একবারও না-থেমে একই সঙ্গে ক্যাপচার, ক্রিয়েট ও শেয়ার করতে পারেন। এই ফ্ল্যাগশিপ পোর্টফোলিও একসঙ্গে মিলে প্রতিদিনের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করে তোলে, যাতে প্রতিটি শট, এডিট, ও শেয়ারে যেন প্রতিটি মুহূর্তের খাঁটি ও সত্যিকারের রূপ অনুভব করা যেতে পারে।

ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজের মূল আকর্ষণ হল এর ক্যামেরা সিস্টেম। এই ক্যামেরা সিস্টেমকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি ইমেজ বাস্তব জীবনের আরও কাছাকাছি হতে পারে। ওপো ফাইন্ড এক্স10-এ আছে ডুয়াল 200এমপি ক্যামেরা সিস্টেম। অন্যদিকে, ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স এই প্রথমবার নিয়ে এসেছে বৈপ্লবিক ট্রিপল 200এমপি ক্যামেরা সিস্টেম। এর তিনটে রিয়ার ক্যামেরাতেই থাকছে 200এমপি রেজোলিউশন। এটাকে তৈরি করা হয়েছে হ্যাসেলব্ল্যাড-এর সহযোগিতায়। এর সঙ্গে আছে নতুন এলইউএমও ট্রু ইমেজ ইঞ্জিন ও সেকেন্ড জেনারেশন ট্রু কালার ক্যামেরা। যা দেয় ন্যাচারাল কালার, টোন ও ডিটেল্স। অন্যদিকে, এলইউএমও কালার প্যালেট-এর সাহায্যে ইউজাররা ন্যাচারাল স্টার্টিং পয়েন্ট ছাড়াও নিজেদের পার্সোনাল স্টাইল তৈরি করে নিতে পারবেন। ভিডিও-তে চলে এসেছে সিনেমা-গ্রেড টুল্স। যেমন- 4কেসিনে-গ্রেড এইচডিআর ভিডিও, ডলবি ভিশন ও ওপেন গেট ক্যাপচার।

একেবারে নতুন কালারওএস 17 নিয়ে এসেছে এআই মাইন্ড পাইলট আর সঙ্গে আছে এজেন্ট মোড। যা ডিভাইসের মধ্যে ফোটো ও ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করে মাল্টি-স্টেপ টাস্কগুলো করার জন্য। এই সিরিজের ফোনগুলোতে আছে 8000এমএএইচ ব্যাটারি। ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স-এ আছে 2এনএম মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 9600 প্রো, এবং নতুন এক বর্ডারলেস ডিজাইন।

ওপো ফাইন এক্স10 সিরিজের পরিপূরক হয়ে উঠেছে ওপো প্যাড মিনি। এটা হল ওপো ব্র্যান্ডের প্রথম কমপ্যাক্ট 8.8 ইঞ্চি ট্যাবলেট। এতে একই সঙ্গে আছে ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্স এবং এআই-পাওয়ার্ড প্রোডাক্টিভিটি। এগুলো সবই পাওয়া যাচ্ছে আলট্রা-পোর্টেবল ডিজাইনের মধ্যে। অন্যদিকে, ওপো এনকো এক্স4-এ আছে প্রিমিয়াম অডিও এক্সপিরিয়েন্স। একে তৈরি করা হয়েছে ডাইনাঅডিও-র সহযোগিতায়। যাতে ব্যতিক্রমী সাউন্ড কোয়ালিটি পাওয়া যেতে পারে। এই ডিভাইসগুলো একসঙ্গে মিলে ওপো-র ফ্ল্যাগশিপ এক্সপিরিয়েন্সকে স্মার্টফোনের ঊর্ধ্বে নিয়ে গেছে। এগুলোর সাহায্যে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোতে অবিরাম কানেক্টিভিটি, প্রোডাক্টিভিটি, ক্রিয়েটিভিটি ও এন্টারটেনমেন্টের মধ্যে থাকা যায়।

এই লঞ্চিং প্রসঙ্গে ওপো ইন্ডিয়ার হেড অব কমিউনিকেশন্স গোল্ডি পট্টনায়ক বললেন,“দশটি জেনারেশন ধরে ওপো ফাইন্ড এক্স সিরিজ স্মার্টফোন ইনোভেশনের ক্ষেত্রে মানদণ্ডকে আরও উঁচু করে চলেছে। ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ-এ আমরা সেই সব সমস্যার সমাধান করেছি, যেগুলো সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দেয় ক্রিয়েটারদের জন্য। যেমন: কোনও জিনিসকে খালি চোখে যেমন ভাবে দেখা যায়, ছবিতে ঠিক সেটাই ধরা পড়ে না। আলোয় কোনও বদল ঘটলেই রেজাল্টও বদলে যায়। অন্যদিকে, এআই আবার বাড়তি কিছু ধাপ যোগ করে দেয়, সেগুলোকে সরানোর বদলে। প্যাড মিনি নিয়ে এসেছে ওপো-র একটি নতুন ফর্ম ফ্যাক্টর। যা কমপ্যাক্ট ও ক্রিয়েটরদের জন্য উপযোগী। এনকো এক্স4-এর সাহায্যে এই সিরিজ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমকে সম্পূর্ণ করে। এর সাহায্যে ইউজাররা একবারও না-থেমে ক্যাপচার, ক্রিয়েট ও শেয়ার করতে পারবেন।”

মোবাইল ইমেজিং-এ নতুন বেঞ্চমার্ক
হ্যাসেলব্ল্যাড-এর সঙ্গে যৌথ সহযোগিতায় তৈরি ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ একসঙ্গে নিয়ে এসেছে হাই-রেজোলিউশন ক্যামেরা হার্ডওয়্যার ও ওপো-র লেটেস্ট কম্পিউটেশনাল ফোটোগ্রাফি টেকনোলজি। এলইউএমও ট্রু ইমেজ ইঞ্জিনকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তা ন্যাচারাল কালার, টোনাল ডেপ্থ ও ফাইনার ডিটেল্সকে ধরে রাখে। এর সাহায্যে ইমেজগুলোকে একেবারে আসল দৃশ্যের মতনই দেখায়, অতিরিক্ত প্রসেসড বলে মনে হয় না।

বিভিন্ন ধরনের লাইটিং কন্ডিশনে কালার রিপ্রোডাকশনকে উন্নত করার জন্য চারপাশের এনভায়রনমেন্ট থেকে অতিরিক্ত কালার ইনফরমেশন ক্যাপচার করে ট্রু কালার ক্যামেরা। হ্যাসেলব্ল্যাড জোর দেয় টোনাল রেন্ডারিং-এর ওপর। সেটার ওপরেও ভিত্তি করে ইমেজ সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। এই রেন্ডারিং-এর সাহায্যে হাইলাইট ও শ্যাডোর মধ্যে থাকা পারস্পরিক সম্পর্ককে ধরে রাখা যায়। সেই জন্য পোর্ট্রেট ও সিনারিকে আরও বেশি ন্যাচারাল দেখতে হয়।

ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স-এর 200এমপি আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরায় আছে একটা 1/1.56 ইঞ্চির সেন্সর এবং একটা 124 ডিগ্রি ফিল্ড অব ভিউ। এর 200এমপি আল্ট্রা এইচডিআর মেন ক্যামেরায় একটা 1/1.28 ইঞ্চির আইসোসেল এইচপিসি সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। এটাকে ওপো ও স্যামসাং একসঙ্গে মিলে তৈরি করেছে ডিপপিক্স টেকনোলজি দিয়ে। যাতে এইচডিআর পারফরম্যান্সকে আরও উন্নত করা যায়। 200এমপি টেলিফোটো ক্যামেরায় আছে একটা এফ/2.1 অ্যাপারচার এবং তার সঙ্গে আছে 10সিএম মিনিমাম ফোকাসিং ডিসট্যান্স। তাই এটা দিয়ে টেলিফোটো ফোটোগ্রাফি করা যায় এবং ক্লোজ-আপ শটও নেওয়া যায়।

ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ আবার প্রথমবার নিয়ে এসেছে 26এমপি ডিফল্ট ক্যাপচার। সমস্ত সাপোর্টেড ফোকাল লেংথ-এর জন্য। যেমন- আল্ট্রা-ওয়াইড থেকে শুরু করে 9.9এক্স জুম পর্যন্ত। তাই ম্যানেজেবল ফাইল সাইজের সাহায্যে ইমেজ ডিটেলকে ব্যালেন্স করা যাবে। ইউজাররা সাপোর্টেড ক্যামেরাগুলোতে 50এমপি বা 200এমপি-র জন্য হ্যাসেলব্ল্যাড হাই-রেস মোড-এ যেতে পারেন। উভয় মডেলের সঙ্গেই কম্প্যাটিবল ওপো হ্যাসেলব্ল্যাড টেলিকনভার্টার অনেক বেশি দূরে থাকা সাবজেক্টগুলোর জন্য টেলিফোটো ক্যামেরায় 3.28x অপ্টিক্যাল ম্যাগনিফিকেশন যোগ করে।

ভিডিও ক্রিয়েটরদের জন্য আরও বেশি কনট্রোল
গোটা সিরিজেই ভিডিও কেপেবিলিটির উল্লেখযোগ্য আপগ্রেড হয়েছে। ওপো ফাইন্ড এক্স10-এর সবগুলো রিয়ার ক্যামেরা দিয়েই 4কে 60এফপিএস-এ ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে। এর 200এমপি মেন ও টেলিফোটো ক্যামেরা দিয়েও 4কে 120এফপিএস ও 8কে 30এফপিএস ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে। ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্সের তিনটি 200এমপি রিয়ার ক্যামেরা দিয়েই 4কে 60এফপিএস, 4কে 120এফপিএস ও 8কে 30এফপিএস ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স-এর 200এমপি মেন ক্যামেরায় আছে ডিপপিক্স টেকনোলজি। এর সাহায্যে 17 স্টপ পর্যন্ত ডাইনামিক রেঞ্জ পাওয়া যাবে, এবং ডিমান্ডিং সিনগুলোতে সমস্ত হাইলাইট ও শ্যাডো-র অনেক বেশি ইনফরমেশন ধরে রাখা যাবে। ব্যাকলিট পোর্ট্রেট শুট করা হোক বা রাতের শহরের উজ্জ্বল আলোগুলোর ছবি তোলা হোক বা অন্ধকার আকাশকে পেছনে রেখে আতসবাজির রোশনাইয়ের ছবি তোলা হোক— যে-কোনও ক্ষেত্রেই ক্রিয়েটররা ফ্রেমের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং সবচেয়ে অন্ধকার অংশগুলোর অনেক বেশি ডিটেল ধরে রাখতে পারবেন।

এই সিরিজ আবার ডলবি ভিশন, এসিইএস-সার্টিফায়েড ও-লগ2 ও ওপেন গেট ক্যাপচারকে সাপোর্ট করে। যার ফলে ক্রিয়েটররা রেকর্ডিং করার সময় এবং ফুটেজ এডিট করার সময় অনেক বেশি ফ্লেক্সিবিলিটি পেয়ে যাবেন।

একটি সুচিন্তিত ডিজাইন, প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য তৈরি
ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজেও ফাইন্ড এক্স ফ্যামিলির আন্ডারস্টেটেড ডিজাইন অ্যাপ্রোচকে ধরে রাখা হয়েছে একেবারে নতুন বর্ডারলেস ডিজাইনের সাহায্যে। ওয়ান-পিস স্কাল্পটেড গ্লাস একেবারে ক্যামেরা মডিউলে ফ্লো করে। তার ফলে তৈরি হয় আরও কোহেসিভ ফিনিশ এবং ক্যামেরা বাম্পের অ্যাপিয়ারেন্সকে তা সফ্ট করে দেয়।

ওপো ফাইন্ড এক্স10 পাওয়া যাবে গ্লেসিয়ার ব্লু, গ্লো কোরাল ও মিস্ট গ্রে রঙে। অন্যদিকে, ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স পাওয়া যাবে টাইটেনিয়াম গ্রে ও লুনা হোয়াইট রঙে। লুনা হোয়াইট ফিনিশ আনা হয়েছে ক্লাসিক ক্যামেরাগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, এর সঙ্গে আছে সিলভার এলইউএমও ক্যামেরা আইল্যান্ড এবং সঙ্গে আছে হ্যাসেলব্ল্যাড-এর সিগনেচার ম্যাট ওরেঞ্জ অ্যাক্সেন্ট রিং এবং চোখে পড়ার মতন টু-টোন ফিনিশ।

দুটি স্মার্টফোনই দেখতে স্লিম। দুটোতেই একই রকমের ডিসপ্লে বেজেল আছে এবং এগুলোকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এগুলো দেখতে প্রিমিয়াম হবে এবং সেই সঙ্গে এগুলোকে প্রতিদিন ব্যবহারও করা যাবে। ওপো ফাইন্ড এক্স10-এ আছে 6.59 ইঞ্চির ডিসপ্লে। অন্যদিকে, ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স-এ আছে আরও বড় স্ক্রিন। 6.78 ইঞ্চির। দুটি স্মার্টফোনই 144 হার্টজ অ্যাডাপ্টিভ রিফ্রেশ রেট, 3,600 নিটস-এর পিক ব্রাইটনেস এবং ডলবি ভিশনকে সাপোর্ট করে। লো-লাইট কন্ডিশনে দেখার জন্য ডিসপ্লেকে 1 নিট পর্যন্ত ডিম করা যায় এবং দুটি ফোনই 3,840 হার্টজ হাই-ফ্রিকোয়েন্সি পিডব্লিউএম পর্যন্ত ডিমিং-কে সাপোর্ট করে।

যেসব স্মার্টফোন প্রথমবার বিটি.2020 কালার গ্যামাটকে সাপোর্ট করেছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ওপো ফাইন্ড এক্স10 এবং ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স। ডিসিআই-পি3’র তুলনায় বিটি.2020 প্রায় 40% বেশি কালার স্পেসকে কভার করে, এবং এটাকে ব্যাপক ভাবে প্রফেশনাল ফিল্ম প্রোডাকশনে ব্যবহার করা হয়।

এই সিরিজ দেয় আইপি66, আইপি68 ও আইপি69 ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিস্ট্যান্সের সুবিধা, স্পেসিফায়েড টেস্ট কন্ডিশনগুলোর মধ্যে। সেই সঙ্গে আছে এসজিএস ফাইভ-স্টার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স সার্টিফিকেশন।

প্রচণ্ড ব্যস্ততার দিনগুলোর জন্য ভাল ব্যাটারি ও পারফরম্যান্স
দুটি মডেলেই আছে 8000এমএএইচ পর্যন্ত ওপো সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি টেকনোলজি। এগুলো এমন ভাবে তৈরি যে ফ্ল্যাগশিপের সামগ্রিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে কোনও আপস না-করে এক্সটেন্ডেড ব্যাটারি লাইফের সুবিধা দেয়। এই সিরিজ 80ডব্লিউ সুপারভুক ওয়ায়র্ড চার্জিং এবং 50ডব্লিউ এয়ারভুক ওয়ায়রলেস চার্জিংকে সাপোর্ট করে। সেই জন্য ইউজাররা নানা কাজের ফাঁকে সহজেই ব্যাটারিতে চার্জ দিয়ে দিতে পারেন।

এই সিরিজের ফাইন্ড এক্স10-এ আছে 3এনএম মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 9600এম-এর পাওয়ার। অন্যদিকে, ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স চলে ফ্ল্যাগশিপ 2এনএম মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি 9600 প্রো দিয়ে। দুটি ডিভাইসই অ্যাডভান্সড ভেপর চেম্বার কুলিং ব্যবহার করে ইনটেনসিভ টাস্কের সময় হিটকে ম্যানেজ করার জন্য। দুটি ডিভাইসই বিভিন্ন ধরনের পারফরম্যান্সকে সাপোর্ট করে। যেমন- ফোটোগ্রাফি, গেমিং, এআই ফিচার ও মাল্টিটাস্কিং।

কালারওএস 17 নিয়ে এল আরও মসৃণ ও আরও ইন্টেলিজেন্ট এক্সপিরিয়েন্স
ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ প্রথমবার নিয়ে আসছে কালারওএস 17। এতে আছে রিফ্রেশড ইন্টারফেস এবং সিস্টেম-লেভেল এআই ফিচার্স। এগুলো এমন ভাবে তৈরি যে প্রতিদিনের ইন্টাব়্যাকশনকে আরও বেশি সহজবোধ্য করে তোলে। এর লিভিং ফ্লো ডিজাইন প্রথমবার নিয়ে আসছে আরও সফ্ট ভিজুয়াল এফেক্টস, ফ্লুইড ট্রানজিশন এবং আরও বেশি রেসপন্সিভ টাচ ফিডব্যাক। অন্যদিকে, লুমিনাস রেন্ডারিং ইঞ্জিন ও লুমিনার ফ্লো ইঞ্জিন কাজ করে সিস্টেমকে আরও বেশি রেসপন্সিভ করার জন্য এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্টকে আরও উন্নত করার জন্য।

কালারওএস 17 এই প্রথমবার নিয়ে এসেছে এআই মাইন্ড পাইলট এবং সঙ্গে এজেন্ট মোড। যা ডিভাইসে স্টোর হয়ে থাকা ফোটো ও ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারে, সমস্ত ইনফরমেশন সার্চ করতে পারে এবং মাল্টি-স্টেপ টাস্কগুলোতে সাহায্য করে। এআই ফোটো এজেন্ট এডিটিংকে আরও বেশি অ্যাক্সেসিবল করে তুলেছে সাজেস্টেড অ্যাডজাস্টমেন্ট, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্সট্রাকশন ও স্টাইল ম্যাচ-এর মাধ্যমে। যা ইউজার-এর ফোটোর রেফারেন্স ইমেজের লুক ও ফিল-কে অ্যাপ্লাই করে। ওপো যৌথ ভাবে ম্যানাস-এর সঙ্গে কাজ করে বলে এজেন্ট মোড থাকা এআই মাইন্ড পাইলটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ম্যানাস-এর এজেন্টিক কেপেবিলিটিজ এবং কালারওএস 17-এর সিস্টেম-লেভেল ইন্টিগ্রেশন।

এখানে সফ্টওয়্যার এক্সপিরিয়েন্সর মোদ্দা কথা হল প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি। কোনও ফোন কল-এর সময় প্রতারণার ঝুঁকি থাকলে তা চিহ্নিত করার জন্য এআই কল গার্ড ফিচারটি অন-ডিভাইস এআইব্যবহার করে। অন্যদিকে, ক্লাউড-বেসড এআই প্রসেসিং-এর জন্য ওপো-র প্রাইভেট কম্পিউটিং ক্লাউড ব্যবহার করে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন ও পোস্ট-কোয়ান্টাম সিকিউরিটি কেপেবিলিটিজ।

ওপো প্যাড মিনি: মিনি সাইজ, বোল্ড আইডিয়া, ফ্ল্যাগশিপ এক্সপিরিয়েন্স
ওপো নিজের কানেক্টেড ইকোসিস্টেমকে মজবুত করার জন্য নিয়ে এসেছে ওপো প্যাড মিনি। এটা হল তাদের প্রথম কমপ্যাক্ট 8.8 ইঞ্চির ট্যাবলেট। এতে একই সঙ্গে আছে ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্স এবং এআই-পাওয়ার্ড প্রোডাক্টিভিটি। তা-ও আবার আল্ট্রা-পোর্টেবল ফর্ম ফ্যাক্টরের মধ্যে। এর ওজন মাত্র 282 গ্রাম এবং এটা মাত্র 5.46এমএম পুরু। প্যাড মিনি-তে আছে আকর্ষণীয় 2.5কে ওএলইডি ডিসপ্লে এবং এর স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও হল 92.5%, এর রিফ্রেস রেট হল 144হার্টজ এবং এতে আছে 1,600 নিটস পিক ব্রাইটনেস। এটা দেয় ভাইব্র্যান্ট ও ফ্লুইড ভিজুয়াল। এতে ন্যানো-টেক্সচার ম্যাট ডিসপ্লে আছে বলে ব্রাইট আউটডোর কন্ডিশনেও গ্লেয়ার কম হয়। এতে আছে মাত্র 2 নিট-এর মিনিমাম ব্রাইটনেস এবং এর টিইউভি রেইনল্যান্ড আই-কমফোর্ট সার্টিফিকেশন আছে মানে যে-কোনও লাইটিং এনভায়রনমেন্ট-এ খুব আরামে মোবাইলের ডিসপ্লেতে চোখ রেখে সব কিছু দেখা যায়। এতে আছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 8 জেন 5 প্রসেসর। এর সাহায্যে অবিরাম মাল্টিটাস্কিং করা যায়, গেম খেলা যায় এবং কনটেন্ট ক্রিয়েট করা যায়। এর 8000এমএএইচ ব্যাটারিতে আছে 67ডব্লিউ সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং-এর সুবিধা। তাই 10 মিনিট চার্জ দিলেই চার ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও প্লেব্যাক করা যায়। প্যাড মিনি-তে আইওএস, অ্যানড্রয়েড ও উইন্ডোজ মিলিয়ে ক্রস-সিস্টেম কানেক্টিভিটি আছে বলে অনায়াসে ফাইল ট্রান্সফার করা যায়, কমিউনিকেশন শেয়ার করা যায়, স্ক্রিন কোলাবোরেশন করা যায় এবং ও+ কানেক্টের মাধ্যমে ক্রস-ডিভাইস ওয়ার্কফ্লো চালানো যায়।

প্যাড মিনি-কে পরিপূর্ণ করে তোলে স্মার্ট ওপো পেনসিল 3 প্রো। এটা দিয়ে কাগজের ওপর লেখার মতন করে খুবই স্বাভাবিক ভাবে লেখা যায় এবং স্কেচ করা যায় আল্ট্রা-লো ল্যাটেন্সি সহ। এতে এআই স্মার্ট সার্কল, স্ক্রিন-অফ কুইক নোট, ডুডল টু আর্ট ইত্যাদি ফিচার আছে বলে অনেক সহজেই বিভিন্ন আইডিয়াকে ক্যাপচার করা যায় এবং সৃজনশীল কাজকে বাস্তবায়িত করা যায়।

ওপো এনকো এক্স4:প্রিমিয়াম সাউন্ড, ডাইনাঅডিও-র সঙ্গে যৌথ ভাবে তৈরি
ওপো তাদের প্রিমিয়াম অডিও পোর্টফোলিওকে আরও বড় করে তুলল ওপো এনকো এক্স4 লঞ্চ করে। এতে ডাইনাঅডিও-র প্রখ্যাত অ্যাকুস্টিক কৌশলকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে ইউজাররা একেবারে নিজের মতন করে যে-কোনও অডিও কনটেন্ট শোনার অভিজ্ঞতা লাভ করবেন। এতে আছে ফোর্থ-জেনারেশন কো-অ্যাক্সিয়াল ডুয়াল-ড্রাইভার সিস্টেম। এই সিস্টেমকে ডাইনাঅডিও-র সঙ্গে যৌথ ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এর ইয়ারবাড-এ একটা 11এমএম ডাইনামিক উফার এবং একটা 6এমএম প্লেনার টুইটার আছে। এটাকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আছে স্বতন্ত্র একটা ডুয়াল-ডিএসি আর্কিটেকচার। তাই এটা খুব গভীর ও কনট্রোল্ড বেস, ন্যাচারাল ভোকাল এবং ব্যতিক্রমী সাউন্ড ক্লেয়ারিটি দেয়। এলএইচডিসি লসলেস অডিও ট্রান্সমিশন, পাঁচটা ডাইনাঅডিও মাস্টার টিউনিং প্রিসেট ও ইমার্সিভ স্পেসিয়াল অডিও আছে বলে এনকো এক্স4 থেকে রিচ ও হাই-ফিডেলিটি অডিও শোনার অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। সবার ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী এটাকে তৈরি করা হয়েছে। সাউন্ড কোয়ালিটি ছাড়াও এতে আছে অ্যাডভান্সড অ্যাডাপ্টিভ অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন। যা বিভিন্ন এনভায়রনমেন্টকে চিনতে পারে এবং ইন্টেলিজেন্টলি নয়েজ ক্যান্সেলেশনকে অ্যাডজাস্ট করে দেয়। এই ইয়ারবাডকে যাতে আরও আরামে ব্যবহার করা যায়, তার জন্য এতে আছে রিডিজাইন করা, লো-স্ট্রেন নয়েজ-আইসোলেটিং ইয়ার টিপ্স।

এতে বিভিন্ন ধরনের ইন্টেলিজেন্ট ফিচার আছে। যেমন- 24টি ভাষায় এআই-পাওয়ার্ড রিয়্যাল-টাইম ট্রান্সলেশন করা যায়, গুগল জেমিনাই-তে হ্যান্ডস-ফ্রি অ্যাক্সেস পাওয়া যায়, ফোনে আরও স্পষ্ট ভাবে কথাবার্তা বলার জন্য আছে এআই ক্লিয়ার কল, কলভার্সেশন অ্যাওয়্যারনেস আছে যা অটোম্যাটিক পদ্ধতিতে মিউজিক প্লেব্যাককে অ্যাডজাস্ট করে দেয় সেই সময় যখন ইউজার কথা বলেন, এতে নেক হেল্থ মনিটরিং ও স্লিপ ট্র্যাকিং-এর মতন ওয়েলনেস ফিচার আছে, এবং আছে ডলবি টেকনোলজি পাওয়ার্ড ক্লিয়ার অডিও রেকর্ডিং যা ইয়ারবাডস-কে এক্সটার্নাল মাইক্রোফোনে পরিণত করে দেয়। এতে অ্যানড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজ-এর জন্য আছে ডুয়াল-ডিভাইস কানেক্টিভিটি, সহজবোধ্য ইয়ারবাড কনট্রোল, 53 ঘণ্টা পর্যন্ত টোটাল ব্যাটারি লাইফ এবং ইয়ারবাডস-এর জন্য আইপি55 ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স। এই এনকো এক্স4 এমন ভাবে তৈরি যে প্রতিদিন এটা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়। এটা পাওয়া যায় অরোরা ভায়োলেট এবং গ্লেসিয়ার হোয়াইট রঙে। ওপো-র লক্ষ্য হল তার নিজের কানেক্টেড ইকোসিস্টেমে ইন্টেলিজেন্ট, প্রিমিয়াম এক্সপিরিয়েন্স দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা। সেই লক্ষ্য আরও ভাল ভাবে পূরণ হয়েছে এই ইয়ারবাডস-এর মাধ্যমে।

ওপো পাওয়ারব্যাঙ্ক:স্লিম বলে সঙ্গে করে নেওয়া যায়, চার্জ দেওয়ার জন্য এটা সব সময় তৈরি
ওপো নিজের ইকোসিস্টেমকে আরও বড় করে তুলল ওপো 22.5ডব্লিউ 10,000এমএএইচ পাওয়ার ব্যাঙ্ক নিয়ে এসে। এতে আছে বিল্ট-ইন কেবল। এটা এমন ভাবে তৈরি যে সহজেই এটাকে সঙ্গে করে নেওয়া যায় এবং যখন ইচ্ছা এটা দিয়ে বিভিন্ন ডিভাইসে চার্জ দেওয়া যায়। এটা 15.9এমএম স্লিম এবং এর ওজন মাত্র 185 গ্রাম। এটা 22.5ডব্লিউ ফাস্ট চার্জিংকে সাপোর্ট করে এবং এটা দিয়ে একসঙ্গে তিনটে ডিভাইসে চার্জ দেওয়া যায়। এটাকে তৈরি করা হয়েছে ইউএল94 ভি-ও ফ্লেম-রিটার্ডেন্ট ম্যাটেরিয়াল দিয়ে এবং এর ড্রপ টেস্ট করে দেখেছে ওপো। এটা পোর্টেবল, একে সহজে ব্যবহার করা যায় এবং এটা টেকসইও বটে। এটাকে প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়।

মূল্য ও প্রাপ্তি
ভারতে ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ পাওয়া যাবে এসব মূল্যে— ফাইন্ড এক্স10 (12জিবি+256জিবি)-র দাম হবে 1,39,999 টাকা। অন্যদিকে, 12জিবি+256জিবি-র দাম হবে 1,69,999 টাকা। ফ্ল্যাগশিপ ওপো ফাইন্ড এক্স10 প্রো ম্যাক্স (12জিবি+512জিবি)-র দাম হবে 1,99,999 টাকা। ওপো আবার নিয়ে আসছে হ্যাসেলব্ল্যাড টেলিকনভার্টার কিট। এর দাম 24,999 টাকা

ওপো তাদের প্রিমিয়াম ইকোসিস্টেমকেও আরও বড় করে তুলছে। ওপো প্যাড মিনি (8জিবি+256জিবি)-র দাম 94,999 টাকা। ওপো এনকো এক্স4-এর দাম 19,999 টাকা, এবং 10,000এমএএইচ ওপো পাওয়ার ব্যাঙ্ক-এর দাম 2,199 টাকা।

বিভিন্ন অফার ও বেনিফিট
• সহজ ইএমআই-এর সুবিধা: উপভোক্তারা ওপো ফাইন্ড এক্স10 সিরিজ কিনতে পারবেন সহজ ইএমআই-তে। যা শুরু হচ্ছে প্রতি মাসে মাত্র 4,667 টাকা থেকে।
• ক্যাশব্যাক ও এক্সচেঞ্জ বেনিফিট:গ্রাহকরা 38,000 টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক ও এক্সচেঞ্জ বেনিফিট নিতে পারেন।
• কমপ্লিমেন্টারি প্রিমিয়াম গিফ্ট বক্স: ক্রেতারা 8,998 টাকা মূল্যের একটি প্রিমিয়াম গিফ্ট বক্স পেতে পারেন। এতে থাকবে ওপো এনকো এয়ার 5 প্রো এবং একটি অতিরিক্ত গিফ্ট। যেমন, একটা পাওয়ার ব্যাঙ্ক বা ফোন কেস। এটা স্টক থাকার ওপর নির্ভর করছে এবং এটা প্রযোজ্য চ্যানেল টার্মস সাপেক্ষ।
• ওপো এনকো এক্স4-এ বান্ডল অফার: বান্ডল অফার অনুযায়ী গ্রাহকরা ওপো এনকো এক্স4-এ 1,000 টাকার ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। এই সুবিধা 13 অক্টোবর থেকে 11 নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
• জিরো ডাউন পেমেন্ট:উপযুক্ত ক্রেতারা 30 মাস পর্যন্ত জিরো ডাউন পেমেন্টের সুবিধা পাবেন।
• ব্যাঙ্ক কার্ডস ক্যাশব্যাক:15% পর্যন্ত ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক, প্রযোজ্য নিয়ম ও শর্তাবলি সাপেক্ষ।
• অতিরিক্ত এক্সচেঞ্জ বোনাস: গ্রাহকরা 8,000 টাকা পর্যন্ত একটি এক্সচেঞ্জ বোনাস পেতে পারেন, এই বিষয়টি যোগ্যতা ও প্রযোজ্য নিয়মাবলি সাপেক্ষ।
• এক্সটেন্ডেড ডিভাইস প্রোটেকশন: প্রোমোশনাল আর্টওয়ার্কে ওপো কেয়ার প্ল্যান বেনিফিটের কথাও বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বেনিফিটের মধ্যে আছে এক্সটেন্ডেড ওয়ারেন্টি, স্ক্রিন ড্যামেজ প্রোটেকশন, অ্যাক্সিডেন্টাল অ্যান্ড লিকুইড ড্যামেজ প্রোটেকশন, এবং 180 দিনের হার্ডওয়্যার ডিফেক্ট রিপ্লেসমেন্ট বেনিফিট। এখানে নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতার শর্ত এবং কভারেড টার্মস প্রযোজ্য হবে।
• অতিরিক্ত ইকোসিস্টেম বেনিফিট: ক্রেতারা জিও-র পক্ষ থেকে 12 মাসের ক্যানভা প্রো সাবস্ক্রিপশন বেনিফিট অ্যাক্সেস করতে পারবেন এবং পাবেন গুগল এআই প্রো অফার। এই বিষয়টি যোগ্যতা সম্পর্কিত প্রযোজ্য মাপকাঠি এবং নানা নিয়ম সাপেক্ষ।