Home / ALL / দক্ষিণী প্রয়াস ও এমপকেট-এর যৌথ উদ্যোগে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় উদ্বোধন হল দক্ষিণী প্রয়াস এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার—যা নারী ক্ষমতায়নের পথে দক্ষিণী প্রয়াসের দীর্ঘদিনের কাজ ও অঙ্গীকারকে আরও শক্ত ভিত্তি দিল।

দক্ষিণী প্রয়াস ও এমপকেট-এর যৌথ উদ্যোগে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় উদ্বোধন হল দক্ষিণী প্রয়াস এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার—যা নারী ক্ষমতায়নের পথে দক্ষিণী প্রয়াসের দীর্ঘদিনের কাজ ও অঙ্গীকারকে আরও শক্ত ভিত্তি দিল।

Spread the love

দক্ষিণী প্রয়াস ও এমপকেট-এর যৌথ উদ্যোগে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় উদ্বোধন হল দক্ষিণী প্রয়াস এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার—যা নারী ক্ষমতায়নের পথে দক্ষিণী প্রয়াসের দীর্ঘদিনের কাজ ও অঙ্গীকারকে আরও শক্ত ভিত্তি দিল।

এই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য হল সমাজের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তাঁরা শুধু প্রশিক্ষিতই না হন, বরং স্বনির্ভর, আত্মবিশ্বাসী এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হয়ে উঠতে পারেন। এখানে মহিলাদের জন্য পরিকল্পিত দক্ষতা-উন্নয়ন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে—যেমন পেপার ব্যাগ, মোমবাতি, ডাই করা কাপড় (টেক্সটাইল ডাইং), উপহার সামগ্রী ও হাতে-তৈরি অন্যান্য পরিবেশবান্ধব পণ্য। এই পণ্যের মাধ্যমে আয়ের পথ তৈরি করে তাঁদের নিজস্ব পরিচয় ও সম্মান গড়ে তুলতে সহায়তা করছে দক্ষিণী প্রয়াস।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দক্ষিণী প্রয়াসের প্রেসিডেন্ট অনুভূতি প্রকাশ বলেন, এই উদ্যোগ আমাদের সেই চিরকালের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন—যেখানে প্রতিটি নারী নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং নিজের জীবনের দায়িত্ব নিজেই নিতে শেখে।

দক্ষিণী প্রয়াসের বোর্ড মেম্বার অভিমন্যু প্রকাশ জানান, এই সহযোগিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও কমিউনিটি-নির্ভর পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এমপকেট-এর তরফে রাজনাই জালান দক্ষিণী প্রয়াসের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, তৃণমূল স্তরে সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্থবহ নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে দক্ষিণী প্রয়াসের কাজ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। গৌরব জালান আরও জানান, এই এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার এমপকেট-এর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল উন্নয়নের ভাবনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহিলা উপভোক্তা, স্থানীয় কমিউনিটি এবং বিভিন্ন অংশীজনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে—দক্ষিণী প্রয়াস কেবল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে না, বরং নারীদের জীবনের মালিক হতে শেখাচ্ছে—স্বনির্ভর, সম্মানিত ও সত্যিকার অর্থে ক্ষমতায়িত হতে সাহায্য করছে।

39 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *